| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
একান্ত সাক্ষাতকারে কুষ্টিয়ার বিখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ মুসতানজীদ লোটাস# প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিশন ভিশন হৃদয়ে লালন করে মানুষের মন জয় করতে চায়

একান্ত সাক্ষাতকারে কুষ্টিয়ার বিখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ মুসতানজীদ লোটাস# প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিশন ভিশন হৃদয়ে লালন করে মানুষের মন জয় করতে চায়

শাহ্ জামাল :
ডাঃ মুসতানজীদ লোটাস। ভেড়ামারার মেধাবী মুখ। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ’র সাবেক অধ্যক্ষ। দেশবরেন্য জেনারেল ও লেপারোস্কপিক সার্জন। সদ্য গঠিত কুষ্টিয়া নাগরিক কমিটির আহবায়ক। মানব কল্যান এবং চিকিৎসা সেবায় অনন্য দৃষ্ঠান্ত স্থাপন করে তিনি ইতোমধ্যে জয় করেছেন কোটি মানুষের আস্থা। ভেড়ামারা তথা কুষ্টিয়ার মানুষের ভরসাস্থল। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্ব এবং সাহসী পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে প্রিয় মাতৃভুমি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিশন ভিশন সব সময় হৃদয়ে লালন করি। মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। নতুন নতুন একাধিক কর্ম পরিকল্পনা করে সাধারণ মানুষের পাশে আছি। তাদের মন জয় করতে চায়। ডাঃ মুসতানজিদ বলেন, আমি স্বাধীনতার স্বপক্ষের মানুষ। বাংলাদেশ, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ’র সাথে আমি ওতোপতো ভাবে জড়িত। ভেড়ামারা মিরপুরের মাটি এবং মানুষ আমার হৃদয়ের সাথে মিশে আছে। শেখ হাসিনার হাত ধরে সুযোগ পেলে কুষ্টিয়াঞ্চলের মানুষের জন্য স্থায়ী কিছু করতে চাই।
ডাঃ মুসতানজীদ লোটাস সম্প্রতি সাক্ষাতকার দিয়েছেন কুষ্টিয়া অঞ্চলের গনমানুষের মুখপাত্র সাপ্তাহিক কুষ্টিয়ার মুখ পত্রিকায়। তার সাথে একান্ত আলাপচারিতায় উঠে এসেছে ভেড়ামারা তথা কুষ্টিয়ার আর্থসামাজিক নানা উন্নয়নের চিত্র। উঠে আসে অবহেলিত ভেড়ামারা-মিরপুরের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা ও সংস্কৃতি। ব্যাক্তিগত বিষয় নিয়েও কথা বলেন বরেন্য এই চিকিৎসক।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশনেন। বাবার চাকুরীর সুবাদে তখন তিনি জয়পুরহাটে থাকতেন। ৮ম শ্রেনীর ছাত্র। ভারতের কামারপাড়া এলাকায় ট্রেনিং নেন। ট্রেইনার ছিলেন ক্যাপ্টেন ডোগরা এবং আমাদের লিডার ছিলেন বাবলু। চালাতে পারতেন এসএমজি, এলএমজি। বাংলাদেশে ঢুকেই তিনি চেঙ্গিসপুর, হিলিতে সম্মুখ যুদ্ধে অংশনেন।
ডাঃ মুসতানজীদ লোটাস ১৯৭৫ সালে চুয়াডাঙ্গা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীন হয়ে ১৯৭৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য হন। এরপর ভর্তি হন রংপুর মেডিকেল কলেজে। এরপর মাইগ্রেসন করে চলে আসেন রাজশাহী মেডিকেলে। মেধার স্বাক্ষর রেখে এমবিবিএস পাশ করে চাকুরী শুরু করেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিতে শুরু করেন এফসিপিএস (সার্জারী) তে লেখাপড়া। ১৯৯৬ সালে ঢাকা পিজিতে যোগদান করেন। আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃকততা গড়ে উঠে ১৯৯২ সালে। তৎকালীন সময়ে চিকিৎসকদের সংগঠন বিএমএ’র নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্যানেলে সেন্ট্রাল কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন। বর্তমানে তিনি বিএমএ’র কুষ্টিয়া শাখার সভাপতি। এছাড়াও বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল’র একজন সম্মানিত কাউন্সিলর। সোসাইটি অফ সার্জনস অফ বাংলাদেশ, সোসাইটি অফ লেপারোস্কিপিক সার্জনস অফ বাংলাদেশ, এসোসিয়েশন অফ সার্জনস অফ ইন্ডিয়া সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের সদস্য। মানবিক এবং সামাজিক কাজ’র অংশ হিসাবে ঢাকাস্থ কুষ্টিয়া জেলা সমিতির উপদেষ্টা মনোনীত হয়েছেন। এছাড়াও ভেড়ামারার অসহায়, দুস্থ এবং পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যানে প্রতিষ্ঠা করেন, আরোহী নামের একটি সামাজিক সংগঠন। দেশ বরেন্য চিকিৎসক হয়েও তিনি এখনো গোলাপনগরস্থ নিজ বাসভবনে অসহয়, দুস্থ, এতিম, প্রতিবন্দীদের ফ্রি চিকিৎসা প্রদান করে সাধারন মানুষের মন জয় করে চলেছেন। নিয়মিত ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন , শীত বস্ত্র বিতরন ছাড়াও নানা সামজিক কর্মকান্ড পচিলালনা করছেন।
ডাঃ মুসতানজীদ লোটাস কুষ্টিয়া নাগরিক কমিটি প্রসঙ্গ নিয়ে বলেন, মানুষের কথা বলতেই গঠন করা হয়েছে কুষ্টিয়া নাগরিক কমিটি। যে সমস্যার কথা সাধারন নাগরিকরা বলতে পারেন না, সে কথা গুলো সরকারের কাছে তুলে ধরবে নাগরিক কমিটি। এ কমিটিতে স্থান পেয়েছে বিআরবি ক্যাবলস’র মালিক আলহাজ্ব মজিবর রহমান সহ নানা গুনিজনরা। তিনি বলেন, সকল বাধা পেরিয়ে কুষ্টিয়ার উন্নয়ন এবং সামাজিকতা নিয়ে কাজ করবে নাগরিক কমিটি।
আগামীদিনে সুযোগ পেলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবেন কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে মেধাবী এই চিকিৎসক বলেন, আমি স্বাধীনতার স্বপক্ষের লোক। আমার হৃদয়ে মিশে আছে বাংলাদেশ, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিশন এবং ভিশন আমি হৃদয়ে লালন করি। তার হাত ধরে সুযোগ পেলে আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চাই। কুষ্টিয়াঞ্চলের মানুষের জন্য স্থায়ী ভাবে কিছু করতে চাই। শিক্ষা নগরী হবে কুষ্টিয়া, এটা আমার মনের চাওয়া। তিনি বলেন, আপনারা যেভাবে একজন এমপি বা সংসদ সদস্য কে দেখেন বা দেখতে চান, আমি সেভাবে চাই না। সংসদ সদস্য মানে আইন প্রনেতা। সংসদে বসে দেশের জন্য আইন প্রনয়ন করে দেশ এবং জাতির জন্য কাজ করবে। পুকুর ভরাট করা, মাটি কাটা এমপির কাজ নয়। স্কুল, কলেজ গর্ভানিং বডির নির্বাচনে দাঁড়িয়ে থেকে তার দলের লোকদের বিজয় নিশ্চিত করা এটা এমপির কাজ হতে পারে না। তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে যেভাবে উন্নয়ন হয়ে এ সরকারের আমলে তার থেকে পিছিয়ে আছে ভেড়ামারা মিরপুর। এখানে প্রয়োজন ছিল একটা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সহ বহু আবকাঠামোগত উন্নয়ন। বিদ্যালয় গুলো এখনো জরাজীর্ন। শিক্ষার মান সেভাবে বাড়েনি।
তিনি বলেন, নতুন নতুন উন্নয়ন মুলক পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। সমাজ কে নিয়ে স্বপ্ন দেখছি। শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে “এসো প্রকৃতির মাঝে শিখি গল্প আর খেলায়” শিরোনামে প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আমি মনে করি শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বীজ বপনের মাধ্যমে উন্নত এবং শিক্ষিত জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে পারবো।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024